মাওলানা তারিক জামিল কেন বিতর্কিত?



সম্প্রতি আহলে  সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের প্রসিদ্ধ হক্কানী আলেম যিনি প্রায় সকল আলেম সমাজের মুকুট তিনি কিছুদিন পূর্বে তাঁর একটি বক্তব্যের কারনে ফতোয়াবাজদের রোষানোলে পরেন।


”হজরত আলী কে মাওলা আলী বলে ডাকো!”--মাওঃ তারিক জামিল দাঃবাঃ


চলুন প্রথমে মাওলানা তারিক জামিল সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক
তারিক জামিল (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৩)। তিনি মাওলানা তারিক জামিল নামে অধিক পরিচিত। তিনি একজন পাকিস্তানি ইসলাম প্রচারক, দেওবন্দি পণ্ডিত এবং আলম-এ-দীন(ধর্মগুরু)। তিনি খানোয়াল, পাঞ্জাবে অবস্থিত তলামবার অধিবাসী। তিনি তাবলীগ জামাত সংগঠনের সদস্য এবং পাকিস্তানের ফয়সলাবাদের একটি মাদ্রাসার পরিচালক। তিনি দ্য মুসলিম ৫০০-এর ২০১৩/২০১৪ এডিশনে জনপ্রিয় বক্তা হিসাবে স্থান পেয়েছিলেন।
উপাধিমাওলানা
জন্মمولانا طارق جمیل
১ জানুয়ারি ১৯৫৩ (বয়স ৬৫)[১]
খানোয়াল, পাকিস্তান
সম্প্রদায়সুন্নি
মাজহাবহানাফি
আন্দোলনতাবলীগ জামাত
মূল আগ্রহশরীয়ত, হাদীস,কোরআন,ইসলামী অর্থনীতি, তাফসীর
শিক্ষায়তনজামিয়া আরাবিয়া, (পাকিস্তান)



তিনি সর্বজন স্বীকৃত হওয়া সত্বেও কি এমন কথা তিনি বললেন যার কারনে তাঁকে তিরস্কার, সমালোচনা, এবং ফতোয়ার শিকার হতে হলো?
তাঁর শুধু এতটুকুই দোষ যে তিনি মহানবী সাঃ এর আহলে বাইতের শানে ঘোষণাকৃত একটি হাদীস যা গাদীরে খুম নামে পরিচিত সেই হাদীসের একটা শব্দের অর্থের ব্যপারে বলেছেন যে ’মান কুনতু মাওলা ফা আলীয়্যুন মাওলা’ এখানে যুগ ‍যুগ ধ
রে আমাদের মাঝে ’মাওলা’ শব্দের অর্থ যে বলা হচ্ছে ‘বন্ধু’ হিসেবে তা ঠিক নয়। বরং সঠিক টা হলো ’আকা, সরদার, অভিভাবক, নেতা’। আমাদের উচিত আলী কে মাওলা আলী বলা। শিয়ারা সঠিক বলে।
আর এ জন্যই তাঁর নামে শুরু হয়েছে ফতোয়াবাজী এবং কেউ কেউ তাঁর এ বক্তব্যকে শীয়াদের প্রতি ঝুঁকে যাওয়া বলে অভিহীত করেছেন।
অথচ মাওলানা তারিক জামিল দাঃবাঃ কেবল আহলে বাইতের শানে সত্য কথাটা প্রচার করলেন যা চৌদ্দশত বছর ধরে একটা বিশেষ মাজহাবপন্থী সম্প্রদায় দাবী করে আসা সত্বেও মুসলিমদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজ অগ্রাহ্য করে আসছিলো।


মাওলানা তারিক জামিল দাঃবাঃ এর বক্তব্যের একাংশ ....(দেখার জন্য নীচের লিংকে যান)

https://youtu.be/CkGRZ-eUCOE

Comments

Popular posts from this blog

দোয়া শিখি.... (প্রথম পর্ব) “দোয়া কুমাইল”

Over 100 Sunni scholars declare Wahhabis to be outside mainstream Sunni Islam – Chechnya

মহানবী সা. ই হচ্ছেন একমাত্র অনুকরণীয় আদর্শ ও মানদন্ড।